Class XII›
Bengali ›
Geography ›
Mock Test ›
Class XI›
Class X›
Primary TET›
Upper Primary TET›
Competitive Exams›
Math ›
LIVE Access mock tests, and notes for 300+ exams
✕

নাক (Nose) — গঠন, প্রকারভেদ, কাজ

নাক (Nose) — গঠন, প্রকারভেদ, কাজ

নাক (Nose) মানুষের শ্বাসযন্ত্রের (Respiratory System) একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি শুধু গন্ধ অনুভব করার জন্য নয়, বরং শ্বাসগ্রহণ, বায়ু পরিশোধন, বায়ুকে উষ্ণ ও আর্দ্র করা, স্বর উৎপাদনে সহায়তা এবং রোগজীবাণু প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

মানুষের নাক মুখমণ্ডলের কেন্দ্রীয় অংশে অবস্থিত এবং এটি মূলত অস্থি (Bone), তরুণাস্থি (Cartilage), পেশি ও নরম টিস্যু দ্বারা গঠিত।


নাকের প্রধান কাজ (Functions of Nose)

নাকের প্রধান কাজগুলি হল—

১. শ্বাসগ্রহণ (Respiration)

নাক শ্বাসযন্ত্রের প্রধান প্রবেশপথ। সাধারণ অবস্থায় আমরা নাকের মাধ্যমে বায়ু গ্রহণ করি।

বায়ু প্রবাহের পথ:  নাসারন্ধ্র → নাসাগহ্বর → গলবিল (Pharynx) → স্বরযন্ত্র (Larynx) → শ্বাসনালি (Trachea) → ব্রঙ্কাস → ফুসফুস


২. বায়ু পরিশোধন (Filtration)

নাকের ভেতরের নাসারোম (Nasal hair) এবং শ্লেষ্মা (Mucus) ধূলিকণা, পরাগরেণু ও কিছু জীবাণুকে আটকে দেয়।   এর ফলে অপেক্ষাকৃত পরিষ্কার বায়ু নিম্ন শ্বাসনালিতে প্রবেশ করে।

উদাহরণ: ধুলোবালি নাকে প্রবেশ করলে নাকের লোম ও শ্লেষ্মা তা আটকে রাখতে সাহায্য করে।


৩. বায়ুকে উষ্ণ করা (Warming)

নাসাগহ্বরের অভ্যন্তরে প্রচুর রক্তনালি (Blood vessels) রয়েছে। এই রক্তনালিগুলির মাধ্যমে প্রবাহিত উষ্ণ রক্ত শ্বাসের সঙ্গে প্রবেশ করা বায়ুকে উষ্ণ করতে সাহায্য করে।   এটি ফুসফুসে হঠাৎ ঠান্ডা বায়ু প্রবেশের প্রভাব কমায়।


৪. বায়ুকে আর্দ্র করা (Humidification)

নাসাগহ্বরের শ্লেষ্মা ও আর্দ্র পৃষ্ঠ শ্বাসের বায়ুকে আর্দ্র করে। ফলে ফুসফুসে পৌঁছানোর সময় বায়ু অপেক্ষাকৃত উষ্ণ ও আর্দ্র অবস্থায় থাকে।


নাকের গঠন (Structure of Nose)

নাককে প্রধানত দুটি অংশে আলোচনা করা যায়—

  1. বহিঃনাসারন্ধ্র  (External Nostril)
  2. নাসাগহ্বর (Nasal Cavity)

1. বহিঃনাসারন্ধ্র (External Nostril)

মুখমণ্ডলের বাইরে দৃশ্যমান নাকের অংশকে বহিঃনাসারন্ধ্র বলা হয়।

এটির প্রধান অংশগুলি হল—

  • নাসারন্ধ্র (Nostrils / Nares)
  • নাকের পৃষ্ঠ বা সেতু (Dorsum/Bridge)
  • নাকের অগ্রভাগ (Tip/Apex)
  • নাকের ডানা (Ala)
  • নাসিকাপ্রাচীর (Nasal septum)

বাহ্যিক নাকের কাঠামোতে অস্থি এবং তরুণাস্থি উভয়ই থাকে।


১. নাসারন্ধ্র (Nostrils / Nares)

নাকের বাইরের দুটি ছিদ্রকে নাসারন্ধ্র বলে।

এগুলির মাধ্যমে বায়ু নাসাগহ্বরে প্রবেশ ও বের হয়।

নাসারন্ধ্রের ভেতরে থাকা লোম ধূলিকণা ও বৃহৎ কণাকে আটকে রাখতে সাহায্য করে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

মানুষের সাধারণত দুটি নাসারন্ধ্র থাকে।

দুটি নাসারন্ধ্রের মাঝখানে যে প্রাচীর থাকে তাকে নাসিকাপ্রাচীর (Nasal Septum) বলা হয়।


২. নাসিকাপ্রাচীর (Nasal Septum)

দুটি নাসাগহ্বরকে পৃথককারী মধ্যবর্তী প্রাচীরকে নাসিকাপ্রাচীর বলে।

এটি প্রধানত—

  • অস্থি
  • তরুণাস্থি

দিয়ে গঠিত।

নাসিকাপ্রাচীরের সামনের অংশে Septal cartilage গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

প্রধান কাজ

নাসিকাপ্রাচীর ডান ও বাম নাসাগহ্বরকে পৃথক রাখে।


2. নাসাগহ্বর (Nasal Cavity)

নাসারন্ধ্রের পিছনে অবস্থিত বায়ু চলাচলের স্থানকে নাসাগহ্বর বলে।

নাসিকাপ্রাচীরের মাধ্যমে নাসাগহ্বর ডান ও বাম অংশে বিভক্ত।

নাসাগহ্বরের অভ্যন্তরে শ্লেষ্মাযুক্ত আবরণ বা Mucous membrane থাকে।

এখানে থাকা শ্লেষ্মা—

  • ধূলিকণা আটকায়
  • জীবাণু আটকে রাখতে সাহায্য করে
  • বায়ুকে আর্দ্র করে

১.নাসারোম (Nasal Hair)

নাসারন্ধ্রের ভেতরে থাকা সূক্ষ্ম লোমকে নাসারোম বলে।

এগুলি শ্বাসের সঙ্গে প্রবেশ করা বড় ধূলিকণা ও অন্যান্য কণাকে আটকাতে সাহায্য করে।

উদাহরণ: ধুলোযুক্ত পরিবেশে নাকের লোম বায়ু পরিশোধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


২.শ্লেষ্মা (Mucus)

নাসাগহ্বরের আবরণী থেকে উৎপন্ন আঠালো পদার্থকে শ্লেষ্মা (Mucus) বলা হয়।

এর প্রধান কাজ—

  • ধূলিকণা আটকে রাখা
  • জীবাণু ও অন্যান্য কণা আটকে রাখতে সাহায্য করা
  • নাসাগহ্বরকে আর্দ্র রাখা

শ্লেষ্মার মধ্যে আটকে থাকা অনেক কণা পরে Cilia-র সাহায্যে গলবিলের দিকে চলে যায়।


৩. সিলিয়া (Cilia)

নাসাগহ্বরের আবরণী কোষের পৃষ্ঠে থাকা সূক্ষ্ম চুলের মতো গঠনকে Cilia বলা হয়।

সিলিয়া ছন্দবদ্ধভাবে নড়াচড়া করে এবং শ্লেষ্মার সঙ্গে আটকে থাকা ধূলিকণা ও অন্যান্য কণাকে গলবিলের দিকে সরিয়ে দেয়।

এই প্রক্রিয়াকে শ্বাসনালির Mucociliary clearance-এর অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।


৪. নাসাল কনকা (Nasal Conchae)

নাসাগহ্বরের পার্শ্বীয় প্রাচীরে অবস্থিত বাঁকানো অস্থিগত গঠনকে Nasal Conchae বা Turbinates বলে।

সাধারণভাবে এগুলি তিনটি প্রধান স্তরে দেখা যায়—

  1. Superior nasal concha
  2. Middle nasal concha
  3. Inferior nasal concha

এগুলি নাসাগহ্বরের ভেতরের পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি করে এবং বায়ুর প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

Nasal conchae-এর প্রধান ভূমিকা হলো—

বায়ুকে উষ্ণ, আর্দ্র ও পরিশোধনে সহায়তা করা।


গন্ধ অনুভব ও নাক (Olfaction)

নাকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল গন্ধ অনুভব করা।

নাসাগহ্বরের ওপরের অংশে বিশেষ ধরনের সংবেদী অঞ্চল থাকে, যাকে Olfactory epithelium বলা হয়।

এখানে Olfactory receptor cells থাকে।

কোনো গন্ধযুক্ত অণু এই receptor-এর সঙ্গে যুক্ত হলে স্নায়বিক সংকেত তৈরি হয়।

এই সংকেত Olfactory nerve (Cranial Nerve I)-এর মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌঁছায়।

সহজভাবে

গন্ধযুক্ত অণু → Olfactory receptor → Olfactory nerve → Brain → গন্ধের অনুভূতি


নাক ও স্বাদ অনুভূতি (Taste)

নাক সরাসরি স্বাদ গ্রহণের প্রধান অঙ্গ নয়; জিহ্বা স্বাদের প্রধান সংবেদী অঙ্গ।

তবে খাদ্যের প্রকৃত Flavor অনুভব করতে ঘ্রাণের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

খাবারের উদ্বায়ী রাসায়নিক অণু নাসাগহ্বরে পৌঁছে Olfactory receptor-কে উদ্দীপিত করে।

তাই নাক বন্ধ থাকলে খাবারের স্বাভাবিক গন্ধ বা flavor অনেকটাই কম অনুভূত হতে পারে।


নাক ও কণ্ঠস্বর (Voice)

নাক ও নাসাগহ্বর মানুষের কণ্ঠস্বরের অনুনাদ (Resonance)-এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কণ্ঠস্বরের উৎপত্তি প্রধানত স্বরযন্ত্রের vocal cords-এর কম্পনের মাধ্যমে হলেও নাসাগহ্বরসহ বিভিন্ন অনুনাদক গহ্বর শব্দের গুণমান পরিবর্তন করে।

এই কারণে নাক বন্ধ হলে কণ্ঠস্বরের স্বাভাবিক ধ্বনি পরিবর্তিত হতে পারে।


নাকের প্রকারভেদ (Types of Nose)

মানুষের নাকের আকৃতি ব্যক্তি ও জনগোষ্ঠীভেদে বিভিন্ন হতে পারে। নাকের আকৃতি মূলত অস্থি, তরুণাস্থি ও নরম টিস্যুর গঠনের ওপর নির্ভর করে।

শারীরস্থানগতভাবে বাহ্যিক আকৃতির ভিত্তিতে বিভিন্ন ধরনের নাক বর্ণনা করা হয়।

১. Straight Nose

নাকের সেতু তুলনামূলকভাবে সোজা।

উদাহরণ: অনেক মানুষের নাকের বাহ্যিক আকৃতি এই ধরনের হতে পারে।

২. Convex Nose

নাকের সেতু বাইরের দিকে কিছুটা উত্তল।

৩. Concave Nose

নাকের সেতু কিছুটা অবতল বা ভিতরের দিকে বাঁকানো।

৪. Aquiline Nose

নাকের সেতু ও অগ্রভাগের আকৃতিতে বিশেষ বাঁক দেখা যায়; ইংরেজিতে একে অনেক সময় Roman nose-ও বলা হয়।

পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নাকের বাহ্যিক আকৃতির এই শ্রেণিবিভাগ মূলত morphological description, এগুলি নাকের শারীরবৃত্তীয় কার্যকারিতার পৃথক শ্রেণি নয়।


নাকের সঙ্গে যুক্ত সাইনাস (Paranasal Sinuses)

নাকের চারপাশের কিছু অস্থির মধ্যে বায়ুপূর্ণ গহ্বর থাকে, যেগুলিকে Paranasal sinuses বলা হয়।

প্রধান চার ধরনের সাইনাস হল—

  1. Frontal sinus
  2. Maxillary sinus
  3. Ethmoidal sinus
  4. Sphenoidal sinus

কাজ

Paranasal sinus—

  • মাথার খুলির ওজন কমাতে সাহায্য করে
  • কণ্ঠস্বরের অনুনাদে ভূমিকা রাখে
  • নাসাগহ্বরের সঙ্গে সম্পর্কিত শ্লেষ্মা পরিবহণে অংশ নেয়

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

Maxillary sinus হল paranasal sinus-গুলির মধ্যে সবচেয়ে বড়।


নাকের রোগ ও সমস্যা

নাকের বিভিন্ন সাধারণ রোগ ও সমস্যার মধ্যে রয়েছে—

সর্দি (Common Cold)

ভাইরাসজনিত সংক্রমণের ফলে নাক দিয়ে জল পড়া, হাঁচি ও নাক বন্ধ হওয়া ইত্যাদি হতে পারে।

Rhinitis (নাসাগহ্বরের প্রদাহ)

নাসাগহ্বরের শ্লেষ্মা আবরণের প্রদাহকে Rhinitis (নাসাগহ্বরের প্রদাহ) বলে।

এটি সংক্রমণ বা অ্যালার্জির কারণে হতে পারে।

Allergic Rhinitis (অ্যালার্জিজনিত নাসাগহ্বরের প্রদাহ)

পরাগরেণু, ধুলা, ধূলিকণা বা অন্যান্য Allergen (অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী পদার্থ)-এর প্রতি অতিসংবেদনশীলতার ফলে হাঁচি, নাক দিয়ে জল পড়া এবং নাক বন্ধ হতে পারে।

Sinusitis (সাইনাসের প্রদাহ)

Paranasal Sinus (নাকের চারপাশের অস্থিতে অবস্থিত বায়ুপূর্ণ গহ্বর)-এর প্রদাহ বা সংক্রমণকে Sinusitis (সাইনাসের প্রদাহ) বলা হয়।

Epistaxis (নাক দিয়ে রক্তপাত)

নাক দিয়ে রক্তপাতকে Epistaxis (নাক দিয়ে রক্তপাত) বা Nosebleed (নাক দিয়ে রক্তপাত) বলা হয়।


নাক ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Defense Mechanism)

নাক শ্বাসযন্ত্রের প্রথম সারির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে।

এর মধ্যে রয়েছে—

নাসারোম → ধূলিকণা আটকানো

Mucus → কণা ও জীবাণু আটকে রাখা

Cilia → শ্লেষ্মাকে গলবিলের দিকে সরিয়ে নেওয়া

হাঁচি → বিরক্তিকর কণা দ্রুত বাইরে বের করে দেওয়া

এই সম্মিলিত প্রক্রিয়া শ্বাসতন্ত্রকে বহিরাগত কণা ও কিছু রোগজীবাণুর হাত থেকে সুরক্ষায় সাহায্য করে।


নাকের মাধ্যমে বায়ু চলাচল — Flowchart

নাসারন্ধ্র
↓
নাসাগহ্বর
↓
গলবিল (Pharynx)
↓
স্বরযন্ত্র (Larynx)
↓
শ্বাসনালি (Trachea)
↓
ব্রঙ্কাস (Bronchi)
↓
ব্রঙ্কিওল (Bronchioles)
↓
অ্যালভিওলাই (Alveoli)
↓
গ্যাসের আদান-প্রদান


গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

বিষয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
নাকের প্রধান কাজ শ্বাসগ্রহণ ও গন্ধ অনুভব
নাসারন্ধ্র ২টি
নাসিকাপ্রাচীর ডান ও বাম নাসাগহ্বর পৃথক করে
নাসারোম বড় কণা ও ধূলিকণা আটকাতে সাহায্য করে
Mucus কণা আটকায় ও বায়ুকে আর্দ্র করে
Cilia শ্লেষ্মাকে গলবিলের দিকে সরায়
Olfactory receptor গন্ধ অনুভব করে
Olfactory nerve Cranial Nerve I
Nasal conchae বায়ুকে উষ্ণ ও আর্দ্র করতে সাহায্য করে
Paranasal sinus নাকের চারপাশের অস্থিতে অবস্থিত বায়ুপূর্ণ গহ্বর
বৃহত্তম Paranasal sinus Maxillary sinus
Nosebleed Epistaxis
নাকের প্রদাহ Rhinitis
Sinus-এর প্রদাহ Sinusitis

One-Liner

১. গন্ধ অনুভূতির সঙ্গে যুক্ত প্রধান Cranial nerve কোনটি?
→ Olfactory nerve (Cranial Nerve I)

২. নাসাগহ্বরকে দুটি অংশে বিভক্ত করে কোন গঠন?
→ Nasal septum

৩. নাকের মধ্যে ধূলিকণা আটকাতে কোন দুটি উপাদান গুরুত্বপূর্ণ?
→ Nasal hair ও mucus

৪. নাসাগহ্বরের বায়ুকে উষ্ণ ও আর্দ্র করতে কোন গঠন গুরুত্বপূর্ণ?
→ Nasal conchae

৫. Nosebleed-এর চিকিৎসাবিজ্ঞানের নাম কী?
→ Epistaxis

৬. Paranasal sinus-এর মধ্যে বৃহত্তম কোনটি?
→ Maxillary sinus

৭. নাকের মাধ্যমে শ্বাস নেওয়ার একটি প্রধান সুবিধা কী?
→ বায়ু পরিশোধন, উষ্ণীকরণ ও আর্দ্রীকরণ।


মূল পয়েন্ট

  • Nose শ্বাসযন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ।
  • নাসারন্ধ্রের মাধ্যমে বায়ু নাসাগহ্বরে প্রবেশ করে।
  • Nasal hair বড় কণা আটকাতে সাহায্য করে।
  • Mucus ধূলিকণা ও জীবাণু আটকে রাখতে সাহায্য করে।
  • Cilia শ্লেষ্মাকে গলবিলের দিকে সরিয়ে দেয়।
  • Nasal conchae বায়ুর সঙ্গে নাসাগহ্বরের সংস্পর্শ বৃদ্ধি করে।
  • নাসাগহ্বর বায়ুকে উষ্ণ, আর্দ্র ও পরিশোধিত করতে সাহায্য করে।
  • Olfactory epithelium গন্ধ অনুভূতির সঙ্গে যুক্ত।
  • Olfactory nerve হলো Cranial Nerve I।
  • চার ধরনের প্রধান Paranasal sinus হল frontal, maxillary, ethmoidal ও sphenoidal।
  • Maxillary sinus সবচেয়ে বড় paranasal sinus।
  • নাকের রক্তপাতকে Epistaxis বলে।
  • নাসাগহ্বরের প্রদাহকে Rhinitis বলে।
  • Paranasal sinus-এর প্রদাহকে Sinusitis বলে।
Share:
← Back to all posts