Class XII›
Bengali ›
Geography ›
Mock Test ›
Class XI›
Class X›
Primary TET›
Upper Primary TET›
Competitive Exams›
Math ›
LIVE Access mock tests, and notes for 300+ exams
✕

সংগতিবিধানের ধারণা ও প্রতিরক্ষণ কৌশল | Adjustment ও Defense Mechanism | TET, CTET CDP

সংগতিবিধানের ধারণা ও প্রতিরক্ষণ কৌশল | Adjustment ও Defense Mechanism | TET, CTET CDP

সংগতিবিধানের ধারণা (Concept of Adjustment)

সংগতিবিধান (Adjustment) হল এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ব্যক্তি নিজের চাহিদা, আবেগ ও আচরণের সঙ্গে পারিপার্শ্বিক পরিবেশের চাহিদার সামঞ্জস্য তৈরি করে। মানুষের ব্যক্তিত্ব ও মানসিক স্বাস্থ্যের বিকাশে সংগতিবিধানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

Child Development and Pedagogy (CDP)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সংগতিবিধান ও প্রতিরক্ষণ কৌশল। TET, CTET, Primary TET এবং Upper Primary TET পরীক্ষায় এই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে।

সংগতিবিধানের অর্থ (Meaning of Adjustment)

সংগতিবিধানের ধারণার সূত্র জীববিজ্ঞানী Charles Darwin-এর Natural Selection বা প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত। জীববিজ্ঞানে পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য Adaptation বা অভিযোজন ধারণাটি ব্যবহার করা হয়।

মানুষকে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক, সামাজিক ও মানসিক পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে চলতে হয়। নতুন পরিস্থিতি, সমস্যা বা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হলে ব্যক্তি নিজের আচরণ ও চিন্তাধারায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ঘটিয়ে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এই প্রক্রিয়াই হল সংগতিবিধান।

সহজভাবে বলা যায়—

ব্যক্তির চাহিদা ও পরিবেশের চাহিদার মধ্যে সামঞ্জস্য স্থাপন করার প্রক্রিয়াই হল সংগতিবিধান।

যখন ব্যক্তি নিজের প্রয়োজন পূরণ করতে পারে এবং পরিবেশের সঙ্গে সঠিকভাবে মানিয়ে নিতে পারে, তখন তাকে সুসংগতিবিধান (Good Adjustment) বলা যায়।

অন্যদিকে, ব্যক্তি যখন নিজের চাহিদা ও পরিবেশের মধ্যে সামঞ্জস্য তৈরি করতে ব্যর্থ হয় এবং দীর্ঘস্থায়ী মানসিক দ্বন্দ্ব, চাপ বা সমস্যার মধ্যে পড়ে, তখন তাকে অপসংগতি (Maladjustment) বলা হয়।


সংগতিবিধানের বৈশিষ্ট্য

সংগতিবিধানের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল—

  • এটি একটি চলমান ও পরিবর্তনশীল প্রক্রিয়া।

  • ব্যক্তি ও পরিবেশের মধ্যে সামঞ্জস্য তৈরি করে।

  • ব্যক্তির চাহিদা পূরণে সাহায্য করে।

  • মানসিক চাপ ও দ্বন্দ্ব কমাতে সাহায্য করে।

  • ব্যক্তির মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

  • বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে।


সংগতিবিধানের প্রক্রিয়া বা কৌশল (Adjustment Mechanisms)

জীবনে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা, দ্বন্দ্ব, সংঘাত, মানসিক চাপ ও হতাশার মুখোমুখি হলে মানুষ পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে। এগুলিকে Adjustment Mechanisms বা সংগতিবিধানের কৌশল বলা হয়।

প্রধান সংগতিবিধান প্রক্রিয়াগুলি হল—

1. বাধা দূরীকরণ (Removal of Obstacle)

কোনো লক্ষ্য অর্জনের পথে বাধা সৃষ্টি হলে ব্যক্তি সেই বাধা দূর করার চেষ্টা করে।

উদাহরণ: কোনো শিক্ষার্থী কোনো বিষয়ে দুর্বল হলে অতিরিক্ত পড়াশোনা করে সেই দুর্বলতা দূর করার চেষ্টা করে।


2. লক্ষ্যে পৌঁছানো (Attainment of Goal)

এই প্রক্রিয়ায় ব্যক্তি নিজের নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য চেষ্টা করে এবং বিভিন্ন সমস্যার মোকাবিলা করে।

উদাহরণ: পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য নিয়মিত পড়াশোনা করা।


3. বিকল্প লক্ষ্যের মাধ্যমে তৃপ্তি (Alternative Goal Satisfaction)

কোনো একটি লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব না হলে ব্যক্তি অন্য কোনো বিকল্প লক্ষ্য গ্রহণ করে মানসিক তৃপ্তি লাভ করতে পারে।

উদাহরণ: কোনো শিক্ষার্থী একটি প্রতিযোগিতায় সফল না হলে অন্য কোনো প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সাফল্য অর্জনের চেষ্টা করে।


4. চিন্তা বা উদ্বেগ থেকে মুক্তি (Reduction of Anxiety)

মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা কমানোর জন্য ব্যক্তি এমন কাজ করতে পারে যা তাকে স্বস্তি দেয়।

উদাহরণ: অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার সময় গান শোনা, খেলাধুলা করা বা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো।


5. মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখা (Maintaining Balance)

কোনো সমস্যা বা ব্যর্থতার কারণে মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হলে ব্যক্তি বিভিন্ন উপায়ে আবার মানসিক ভারসাম্য ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করে।


প্রতিরক্ষণ কৌশল (Defense Mechanisms)

প্রতিরক্ষণ কৌশল (Defense Mechanism) হল এমন কিছু মানসিক কৌশল, যার মাধ্যমে ব্যক্তি নিজের উদ্বেগ, ভয়, মানসিক দ্বন্দ্ব, হতাশা বা অপরাধবোধ থেকে নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করে।

এই ধারণাটি মনোবিশ্লেষণমূলক মনোবিজ্ঞানের সঙ্গে বিশেষভাবে সম্পর্কিত। বিভিন্ন প্রতিরক্ষণ কৌশল সাময়িকভাবে মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

1. প্রত্যাখ্যান বা অস্বীকার (Denial)

কোনো বাস্তব ঘটনা বা পরিস্থিতিকে ব্যক্তি স্বীকার করতে চায় না বা তা এড়িয়ে যায়।

উদাহরণ: কেউ ডাকলেও ইচ্ছাকৃতভাবে সাড়া না দিয়ে পরে বলা, “আমি শুনতে পাইনি।”


2. আগ্রাসন (Aggression)

নিজের হতাশা, রাগ বা মানসিক চাপ অন্য ব্যক্তি বা কোনো বস্তুর ওপর প্রকাশ করাকে আগ্রাসন বলা যায়।

উদাহরণ: কোনো কাজে ব্যর্থ হয়ে রাগের বশে অন্যকে খারাপ কথা বলা।


3. ক্ষতিপূরণ (Compensation)

কোনো একটি ক্ষেত্রে নিজের দুর্বলতা বা ব্যর্থতা অন্য কোনো ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে পূরণ করার চেষ্টা হল ক্ষতিপূরণ।

উদাহরণ: পড়াশোনায় দুর্বল একজন শিক্ষার্থী খেলাধুলায় ভালো করার চেষ্টা করে।

পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন:
দুর্বলতা → অন্য ক্ষেত্রে সাফল্য = Compensation


4. উন্নীতকরণ (Sublimation)

কোনো অগ্রহণযোগ্য বা অবদমিত প্রবৃত্তিকে সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য কাজে পরিচালিত করাকে Sublimation বলা হয়।

উদাহরণ: মানসিক কষ্ট বা হতাশাকে কবিতা, সাহিত্য, সংগীত বা শিল্পচর্চার মাধ্যমে প্রকাশ করা।


5. অভেদীকরণ বা চিহ্নিতকরণ (Identification)

কোনো পছন্দের ব্যক্তি বা আদর্শ ব্যক্তির আচরণ, গুণাবলি বা বৈশিষ্ট্য নিজের মধ্যে গ্রহণ করার প্রক্রিয়াকে অভেদীকরণ বলা হয়।

উদাহরণ: কোনো শিশু তার প্রিয় শিক্ষক, খেলোয়াড় বা অন্য কোনো আদর্শ ব্যক্তির মতো আচরণ করার চেষ্টা করে।


6. প্রতিক্ষেপণ (Projection)

নিজের অগ্রহণযোগ্য চিন্তা, অনুভূতি বা প্রবণতার দায় অন্য ব্যক্তির ওপর চাপিয়ে দেওয়াকে Projection বলা হয়।

উদাহরণ: কোনো শিক্ষার্থী নিজে পড়াশোনা না করে পরীক্ষায় খারাপ ফল করলে শিক্ষককে দায়ী করে।

পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন:
নিজের দোষ → অন্যের ওপর চাপানো = Projection


7. যুক্তিকরণ বা অপব্যাখ্যান (Rationalization)

নিজের ব্যর্থতা বা ভুল আচরণের প্রকৃত কারণের পরিবর্তে একটি গ্রহণযোগ্য বা মনগড়া কারণ দেখিয়ে নিজেকে সান্ত্বনা দেওয়াকে Rationalization বলা হয়।

উদাহরণ: পরীক্ষায় খারাপ ফল করার পর একজন শিক্ষার্থী বলে, “প্রশ্নপত্র খুব কঠিন ছিল।”

পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন:
ব্যর্থতার জন্য অজুহাত তৈরি = Rationalization


8. প্রত্যাবৃত্তি (Regression)

কোনো কঠিন পরিস্থিতিতে ব্যক্তি বর্তমান বয়সের তুলনায় আগের বয়সের আচরণে ফিরে গেলে তাকে Regression বলা হয়।

উদাহরণ: কোনো শিশু নতুন পরিস্থিতিতে ভয় পেয়ে ছোট শিশুর মতো কান্নাকাটি করতে শুরু করে।

কখনও সাময়িকভাবে এই ধরনের আচরণ মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে দীর্ঘস্থায়ী হলে তা সমস্যার কারণ হতে পারে।


9. অবদমন (Repression)

অগ্রহণযোগ্য, কষ্টদায়ক বা উদ্বেগ সৃষ্টিকারী চিন্তা ও অনুভূতিকে মনের অচেতন স্তরে ঠেলে দেওয়ার প্রক্রিয়াকে Repression বলা হয়।

উদাহরণ: কোনো অত্যন্ত কষ্টদায়ক অভিজ্ঞতা মনে পড়তে না চাওয়া বা তা ভুলে থাকার চেষ্টা করা।

পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন:
কষ্টদায়ক চিন্তা → অবচেতন মনে ঠেলে দেওয়া = Repression


10. দিবাস্বপ্ন (Daydreaming)

বাস্তবে যা সহজে সম্ভব নয়, সেই বিষয় নিয়ে কল্পনার জগতে আনন্দ লাভ করাকে দিবাস্বপ্ন বলা হয়।

উদাহরণ: কোনো শিক্ষার্থী পড়াশোনার পরিবর্তে কল্পনা করছে যে সে একজন বিখ্যাত খেলোয়াড় বা অভিনেতা হয়েছে।

দিবাস্বপ্ন সাময়িকভাবে মানসিক চাপ কমাতে পারে। তবে অতিরিক্ত দিবাস্বপ্ন বাস্তব কাজ থেকে দূরে সরিয়ে দিতে পারে।


11. প্রতিক্রিয়া গঠন (Reaction Formation)

কোনো অগ্রহণযোগ্য অনুভূতির বিপরীত আচরণ প্রকাশ করাকে Reaction Formation বলা হয়।

উদাহরণ: কোনো ব্যক্তির প্রতি মনে রাগ থাকলেও তার প্রতি অতিরিক্ত ভালোবাসা বা বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করা।


12. রূপান্তরকরণ (Conversion)

মানসিক দ্বন্দ্ব বা তীব্র মানসিক চাপের প্রকাশ যখন শারীরিক উপসর্গের রূপ নেয়, তখন তাকে Conversion বলা হয়।

উদাহরণ: তীব্র মানসিক চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো শারীরিক উপসর্গ দেখা দেওয়া।

গুরুত্বপূর্ণ: আধুনিক মনোবিজ্ঞানে শারীরিক উপসর্গের অনেক সম্ভাব্য কারণ থাকতে পারে। তাই কোনো নির্দিষ্ট শারীরিক সমস্যাকে শুধু মানসিক কারণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা ঠিক নয়।


প্রতিরক্ষণ কৌশল এক নজরে

প্রতিরক্ষণ কৌশল সহজ অর্থ উদাহরণ
Denial বাস্তবতা অস্বীকার সমস্যা স্বীকার না করা
Aggression রাগ বা আক্রমণাত্মক আচরণ ব্যর্থ হয়ে অন্যকে খারাপ কথা বলা
Compensation অন্য ক্ষেত্রে সাফল্য দিয়ে ঘাটতি পূরণ পড়াশোনায় দুর্বল, খেলায় ভালো
Sublimation অগ্রহণযোগ্য প্রবৃত্তিকে গ্রহণযোগ্য কাজে পরিচালনা শিল্পচর্চার মাধ্যমে অনুভূতি প্রকাশ
Identification আদর্শ ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য গ্রহণ প্রিয় শিক্ষকের মতো হওয়ার চেষ্টা
Projection নিজের দোষ অন্যের ওপর চাপানো নিজের ব্যর্থতার জন্য শিক্ষককে দায়ী করা
Rationalization ব্যর্থতার যুক্তি বা অজুহাত তৈরি “প্রশ্ন খুব কঠিন ছিল” বলা
Regression আগের বয়সের আচরণে ফিরে যাওয়া চাপের সময় শিশুর মতো আচরণ
Repression কষ্টদায়ক চিন্তা অবদমন কষ্টকর ঘটনা ভুলে থাকার চেষ্টা
Daydreaming কল্পনার জগতে বিচরণ বাস্তবের বদলে কল্পনায় সাফল্য
Reaction Formation বিপরীত আচরণ প্রকাশ রাগ থাকলেও অতিরিক্ত ভালোবাসা দেখানো
Conversion মানসিক দ্বন্দ্বের শারীরিক প্রকাশ মানসিক চাপের সঙ্গে শারীরিক উপসর্গ

TET, CTET ও CDP পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট

  • Adjustment = ব্যক্তি ও পরিবেশের মধ্যে সামঞ্জস্য স্থাপনের প্রক্রিয়া।

  • Adaptation ধারণাটি জীববিজ্ঞানে পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত।

  • Maladjustment = ব্যক্তি যখন পরিবেশের সঙ্গে সঠিকভাবে সামঞ্জস্য স্থাপন করতে ব্যর্থ হয়।

  • Defense Mechanism = উদ্বেগ, মানসিক দ্বন্দ্ব ও চাপ থেকে নিজেকে রক্ষা করার মানসিক কৌশল।

  • Compensation = একটি ক্ষেত্রে দুর্বলতা অন্য ক্ষেত্রে সাফল্যের মাধ্যমে পূরণ করার চেষ্টা।

  • Sublimation = অগ্রহণযোগ্য প্রবৃত্তিকে সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য কাজে পরিচালিত করা।

  • Projection = নিজের অনুভূতি বা দোষ অন্যের ওপর চাপানো।

  • Rationalization = ব্যর্থতা বা ভুলের জন্য গ্রহণযোগ্য অজুহাত তৈরি করা।

  • Regression = আগের বয়সের আচরণে ফিরে যাওয়া।

  • Repression = কষ্টদায়ক বা অগ্রহণযোগ্য চিন্তাকে অবদমন করা।

  • Daydreaming = কল্পনার মাধ্যমে সাময়িক মানসিক তৃপ্তি লাভ।

  • Identification = অন্য ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য নিজের মধ্যে গ্রহণ করা।

উপসংহার

সংগতিবিধান (Adjustment) মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। ব্যক্তি নিজের চাহিদা ও পরিবেশের মধ্যে সামঞ্জস্য তৈরি করার মাধ্যমে বিভিন্ন সমস্যা ও প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবিলা করে। অন্যদিকে, প্রতিরক্ষণ কৌশল (Defense Mechanisms) ব্যক্তিকে উদ্বেগ, হতাশা ও মানসিক দ্বন্দ্ব থেকে সাময়িকভাবে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

TET, CTET, Primary TET ও Upper Primary TET-এর Child Development and Pedagogy (CDP) প্রস্তুতির জন্য Adjustment, Maladjustment এবং বিভিন্ন Defense Mechanism-এর নাম, সংজ্ঞা ও উদাহরণ ভালোভাবে মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

Share:
← Back to all posts