Class XII›
Bengali ›
Geography ›
Mock Test ›
Class XI›
Class X›
Primary TET›
Upper Primary TET›
Competitive Exams›
Math ›
LIVE Access mock tests, and notes for 300+ exams
✕

মনো-সামাজিক বিকাশ: এরিকসনের তত্ত্ব | Erikson-এর Psychosocial Development Theory – TET, CTET, Primary TET ও Upper Primary TET| CDP

মনো-সামাজিক বিকাশ: এরিকসনের তত্ত্ব | Erikson-এর Psychosocial Development Theory – TET, CTET, Primary TET ও Upper Primary TET| CDP

মনো-সামাজিক বিকাশ: এরিকসন-এর তত্ত্ব (Erikson’s Theory of Psychosocial Development)

মনো-সামাজিক বিকাশ (Psychosocial Development) তত্ত্বের প্রবক্তা হলেন এরিক এরিকসন (Erik Erikson)। তিনি একজন গুরুত্বপূর্ণ নিও-ফ্রয়েডিয়ান (Neo-Freudian) মনোবিজ্ঞানী। ব্যক্তিত্বের বিকাশে তিনি শুধু জৈবিক বিষয়কে গুরুত্ব দেননি; বরং সামাজিক পরিবেশের গুরুত্ব বিশেষভাবে তুলে ধরেছেন।

TET, CTET, Primary TET এবং Upper Primary TET পরীক্ষার জন্য এরিকসনের মনো-সামাজিক বিকাশের তত্ত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই তত্ত্বে মানুষের জীবনকে বিভিন্ন পর্যায়ে ভাগ করে প্রতিটি পর্যায়ের বিশেষ মনো-সামাজিক দ্বন্দ্ব (Psychosocial Conflict) ব্যাখ্যা করা হয়েছে।


এরিকসনের মনো-সামাজিক বিকাশ তত্ত্বের মূল ধারণা

এরিকসনের মতে ব্যক্তির বিকাশে প্রধানত তিনটি উপাদানের ভূমিকা রয়েছে—

  1. শরীর (Body)

  2. অহং বা Ego

  3. সমাজ (Society)

এই তিনটি উপাদানের পারস্পরিক প্রভাবের ফলে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটে। তাঁর তত্ত্বে জৈবিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উপাদানের সমন্বয় দেখা যায়।

এরিকসনের তত্ত্বের প্রধান ধারণাগুলি

১. অহং একটি স্বাধীন সত্তা:
এরিকসন ফ্রয়েডের এই ধারণাকে সম্পূর্ণভাবে গ্রহণ করেননি যে Ego শুধুমাত্র Id থেকে তৈরি হয়। তাঁর মতে, Ego জন্ম থেকেই একটি স্বাধীন সত্তা হিসেবে কাজ করতে পারে।

২. জন্মের সময় Ego দ্বন্দ্বমুক্ত থাকে।

৩. সামাজিক পরিবেশের গুরুত্ব:
সামাজিক পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে Ego-এর বিকাশ ঘটে।

৪. মনো-সামাজিক দ্বন্দ্ব:
ব্যক্তির চাহিদা ও সমাজের চাহিদার মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দিলে যে অভিযোজনের প্রয়োজন হয়, তাকে এরিকসন মনো-সামাজিক দ্বন্দ্ব বলেছেন।

৫. দ্বন্দ্বের সমাধানের মাধ্যমে বিকাশ:
প্রতিটি পর্যায়ের মনো-সামাজিক দ্বন্দ্ব মোকাবিলা করার মধ্য দিয়ে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটে।

৬. ব্যক্তিগত পার্থক্য:
Ego-এর বিকাশে ব্যক্তিভেদে পার্থক্য দেখা যায়।

৭. Ego-এর বিকাশই ব্যক্তিত্বের বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।


এরিকসনের মনো-সামাজিক বিকাশের ৮টি স্তর

এরিকসন মানুষের জীবনকে প্রধানত ৪টি পর্যায়ে ভাগ করেছেন এবং এই চারটি পর্যায়ের মধ্যে মোট ৮টি স্তর রয়েছে। প্রতিটি স্তরে একটি নির্দিষ্ট মনো-সামাজিক দ্বন্দ্ব দেখা যায়।

স্তর বয়স মনো-সামাজিক দ্বন্দ্ব
১ম ০–১ বছর আস্থা বনাম অনাস্থা
২য় ২–৩ বছর স্বাধীনতা বনাম লজ্জা ও সন্দেহ
৩য় ৪–৫ বছর উদ্যোগ বনাম অপরাধবোধ
৪র্থ ৬–১১ বছর উদ্যম বনাম হীনম্মন্যতা
৫ম ১২–১৮ বছর আত্মপরিচয় বনাম আত্মপরিচয় বিভ্রান্তি
৬ষ্ঠ ১৮–৩৫ বছর হৃদ্যতা বনাম একাকীত্ব
৭ম ৩৫–৬৫ বছর উৎপাদনমুখিতা বনাম অচলাবস্থা
৮ম ৬৫ বছরের পর সততা বনাম হতাশা

১. আস্থা বনাম অনাস্থা (Trust vs Mistrust)

বয়স: ০–১ বছর

এটি এরিকসনের প্রথম স্তর। শিশুর জীবনের প্রথম বছরে সে পরিবার ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশ থেকে কেমন যত্ন, ভালোবাসা ও নিরাপত্তা পাচ্ছে তার উপর তার মধ্যে আস্থা বা অনাস্থা গড়ে ওঠে।

যদি শিশু যথেষ্ট ভালোবাসা, যত্ন ও নিরাপত্তা পায়, তাহলে তার মধ্যে নিজের প্রতি এবং অন্যদের প্রতি আস্থা তৈরি হয়। সে পরিবেশকে নিরাপদ বলে মনে করে।

অন্যদিকে, যথেষ্ট ভালোবাসা ও নিরাপত্তার অভাব হলে শিশুর মধ্যে অনাস্থা তৈরি হতে পারে।

শিক্ষাগত গুরুত্ব

শিশুর জন্য নিরাপদ, ভালোবাসাপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ।

মনে রাখুন:
০–১ বছর → Trust vs Mistrust → আস্থা বনাম অনাস্থা


২. স্বাধীনতা বনাম লজ্জা ও সন্দেহ (Autonomy vs Shame and Doubt)

বয়স: ২–৩ বছর

এই পর্যায়ে শিশু নিজের দৈনন্দিন কাজ নিজে করার চেষ্টা করে। নিজের কাজ নিজে করতে পারলে তার মধ্যে স্বাধীনতা ও আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়।

অভিভাবকদের উচিত শিশুকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তত্ত্বাবধান করা। শিশুর ভুল বা অক্ষমতার জন্য তাকে অপমান বা লজ্জা দেওয়া উচিত নয়।

শিক্ষাগত গুরুত্ব

  • শিশুকে নিজের কাজ নিজে করার সুযোগ দিতে হবে।

  • শিশুর অক্ষমতার জন্য তাকে অপমান করা উচিত নয়।

  • নিয়মানুবর্তিতা ও শৃঙ্খলাবোধ গড়ে তুলতে হবে।

  • শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়াতে বিভিন্ন কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।

  • বড়দের আচরণ শিশুর কাছে অনুকরণীয় হওয়া উচিত।

মনে রাখুন:
২–৩ বছর → Autonomy vs Shame & Doubt → স্বাধীনতা বনাম লজ্জা ও সন্দেহ


৩. উদ্যোগ বনাম অপরাধবোধ (Initiative vs Guilt)

বয়স: ৪–৫ বছর

এই পর্যায়ে শিশুর ভাষা, কল্পনাশক্তি ও প্রকাশক্ষমতার বিকাশ ঘটে। শিশু নিজের ইচ্ছা ও চিন্তা প্রকাশ করতে চায় এবং বিভিন্ন কাজ করার উদ্যোগ গ্রহণ করে।

যদি তার উদ্যোগ ও মতামতকে বারবার বাধা দেওয়া বা উপহাস করা হয়, তাহলে তার মধ্যে অপরাধবোধ তৈরি হতে পারে। এতে তার স্বাভাবিক উদ্যোগ ও আত্মপ্রকাশের ক্ষমতা কমে যেতে পারে।

শিক্ষাগত গুরুত্ব

এই পর্যায়ে শিশুকে—

  • খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে হবে।

  • গল্প বলা ও গল্প শোনার সুযোগ দিতে হবে।

  • ছবি আঁকার সুযোগ দিতে হবে।

  • নিজের মতামত প্রকাশ করতে দিতে হবে।

  • কল্পনাশক্তি প্রকাশের সুযোগ দিতে হবে।

খেলা শিশুর জ্ঞানীয়, সামাজিক ও আবেগীয় বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

মনে রাখুন:
৪–৫ বছর → Initiative vs Guilt → উদ্যোগ বনাম অপরাধবোধ


৪. উদ্যম বনাম হীনম্মন্যতা (Industry vs Inferiority)

বয়স: ৬–১১ বছর

এই পর্যায়ে শিশু নিজের শারীরিক ও মানসিক ক্ষমতা সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে। সে নিজের কাজের মাধ্যমে সাফল্য ও সামাজিক স্বীকৃতি পেতে চায়।

কাজে সাফল্য পেলে তার মধ্যে উদ্যম (Industry) বাড়ে। কিন্তু বারবার ব্যর্থতা, উপহাস বা সামাজিক প্রত্যাখ্যানের ফলে তার মধ্যে হীনম্মন্যতা (Inferiority) তৈরি হতে পারে।

শিক্ষাগত গুরুত্ব

শিক্ষকের উচিত—

  • শিশুর আত্মসম্মান বাড়ানো।

  • পিছিয়ে পড়া শিশুকে নিয়ে উপহাস না করা।

  • তার ভালো দিকগুলি তুলে ধরা।

  • সহজ কাজ বা প্রশ্ন দিয়ে শুরু করার সুযোগ দেওয়া।

  • সাফল্যের অভিজ্ঞতা তৈরি করা।

  • শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলা।

মনে রাখুন:
৬–১১ বছর → Industry vs Inferiority → উদ্যম বনাম হীনম্মন্যতা


৫. আত্মপরিচয় বনাম আত্মপরিচয় বিভ্রান্তি

বয়স: ১২–১৮ বছর

এটি বয়ঃসন্ধিকাল বা কৈশোরের স্তর। এই সময়ে কিশোর-কিশোরীদের শারীরিক, মানসিক ও আবেগীয় পরিবর্তন ঘটে। ফলে তারা নিজেদের পরিচয়, ভবিষ্যৎ এবং সমাজে নিজেদের ভূমিকা নিয়ে চিন্তা করতে শুরু করে।

যদি তারা নিজেদের পরিচয় সম্পর্কে একটি সুস্পষ্ট ধারণা তৈরি করতে পারে, তাহলে আত্মপরিচয় (Identity) গড়ে ওঠে। অন্যদিকে, পরিচয় সম্পর্কে অনিশ্চয়তা থাকলে আত্মপরিচয় বিভ্রান্তি (Identity Confusion) দেখা দিতে পারে।

শিক্ষাগত গুরুত্ব

এই পর্যায়ে শিক্ষক ও অভিভাবকদের উচিত—

  • শিক্ষার্থীদের সম্মান ও স্বাধীনতা দেওয়া।

  • মতামত প্রকাশের সুযোগ দেওয়া।

  • বাস্তবসম্মত লক্ষ্য নির্ধারণে সাহায্য করা।

  • শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক ধারণা দেওয়া।

  • শিক্ষাকে বাস্তব জীবনের সঙ্গে যুক্ত করা।

  • শিক্ষার্থীদের সাফল্যের সুযোগ তৈরি করা।

  • তাদের নিজেদের ক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে সচেতন হতে সাহায্য করা।

মারসিয়ার পরিচয় বিকাশের চারটি ধরন

এরিকসনের তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে Marcia পরিচয় নির্বাচনের চারটি ধরন উল্লেখ করেন—

  1. Identity Diffusion (আবছায়া পরিচয়): পরিচয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিকল্পনার অভাব।

  2. Identity Foreclosure (পরিচয় নির্বাচন): অন্যের ইচ্ছা বা পছন্দ অনুযায়ী পরিচয় নির্বাচন।

  3. Identity Moratorium (সাময়িক পরিচয়হীনতা): সিদ্ধান্ত গ্রহণ কিছু সময়ের জন্য পিছিয়ে রাখা।

  4. Identity Achievement (পরিচয় লাভ): বিভিন্ন বিকল্প বিবেচনা করে একটি সুস্পষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছানো।

মনে রাখুন:
১২–১৮ বছর → Identity vs Identity Confusion → আত্মপরিচয় বনাম আত্মপরিচয় বিভ্রান্তি


৬. হৃদ্যতা বনাম একাকীত্ব (Intimacy vs Isolation)

বয়স: ১৮–৩৫ বছর

এই পর্যায়ে ব্যক্তি অন্যদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ও আন্তরিক সম্পর্ক তৈরি করতে শেখে। নিজের পরিচয় বজায় রেখে অন্যের প্রতি দায়িত্ববোধ গড়ে ওঠে।

অন্যদিকে, আন্তরিক সামাজিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে না পারলে ব্যক্তি একাকীত্ব (Isolation) অনুভব করতে পারে।

মনে রাখুন:
১৮–৩৫ বছর → Intimacy vs Isolation → হৃদ্যতা বনাম একাকীত্ব


৭. উৎপাদনমুখিতা বনাম অচলাবস্থা (Generativity vs Stagnation)

বয়স: ৩৫–৬৫ বছর

এই পর্যায়ে ব্যক্তি পরিবার, পেশা ও সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হয়ে ওঠে। পরবর্তী প্রজন্মের কল্যাণ ও বিকাশের জন্য কাজ করার প্রবণতা দেখা যায়।

এই সৃষ্টি ও উৎপাদনশীলতার প্রবণতাকে Generativity বলা হয়।

অন্যদিকে, উৎপাদনশীলতা ও সামাজিক দায়িত্বের অভাব দেখা দিলে Stagnation বা অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে।

মনে রাখুন:
৩৫–৬৫ বছর → Generativity vs Stagnation → উৎপাদনমুখিতা বনাম অচলাবস্থা


৮. সততা বনাম হতাশা (Integrity vs Despair)

বয়স: ৬৫ বছরের পর

এটি এরিকসনের শেষ পর্যায়। এই সময় ব্যক্তি তার অতীত জীবনকে ফিরে দেখে এবং নিজের জীবন ও কাজকে মূল্যায়ন করে।

যারা নিজেদের জীবন ও দায়িত্বকে অর্থপূর্ণভাবে গ্রহণ করতে পারেন, তাদের মধ্যে সততা বা Integrity তৈরি হয়। এর সঙ্গে জীবনের অর্থ সম্পর্কে প্রজ্ঞা (Wisdom) গড়ে ওঠে।

অন্যদিকে, অতীত জীবন নিয়ে গভীর অসন্তোষ বা হতাশা তৈরি হলে Despair বা হতাশা দেখা দিতে পারে।

মনে রাখুন:
৬৫+ বছর → Integrity vs Despair → সততা বনাম হতাশা


TET পরীক্ষার জন্য এরিকসনের তত্ত্বের শিক্ষাগত গুরুত্ব

এরিকসনের তত্ত্ব শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শিশুর সামাজিক ও ব্যক্তিত্ব বিকাশের বিভিন্ন পর্যায় সম্পর্কে এই তত্ত্ব থেকে ধারণা পাওয়া যায়।

গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাগত দিক

১. শিশুকে নিরাপদ পরিবেশ দিতে হবে
শিশুর মধ্যে আস্থা ও নিরাপত্তাবোধ গড়ে তুলতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সহযোগিতামূলক আচরণ করতে হবে।

২. শিশুকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে
ছোট শিশুদের নিজের কাজ নিজে করার সুযোগ দিলে আত্মবিশ্বাস ও স্বাধীনতা বাড়ে।

৩. উদ্যোগকে উৎসাহ দিতে হবে
শিশুর প্রশ্ন, কল্পনা, মতামত ও সৃজনশীলতাকে গুরুত্ব দিতে হবে।

৪. ব্যর্থতার জন্য অপমান করা যাবে না
৬–১১ বছর বয়সের শিশুরা সাফল্য ও স্বীকৃতি থেকে কর্মোদ্যম লাভ করে। তাই শিক্ষককে তাদের উৎসাহিত করতে হবে।

৫. দলগত শিক্ষার সুযোগ দিতে হবে
বিদ্যালয় পর্যায়ে দলগত কাজ ও সহযোগিতামূলক শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সামাজিক দক্ষতা অর্জন করতে পারে।

৬. কিশোরদের আত্মপরিচয় গঠনে সাহায্য করতে হবে
১২–১৮ বছর বয়সে শিক্ষার্থীদের আত্মপরিচয় গঠনে শিক্ষক ও অভিভাবকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

৭. সামাজিক দক্ষতা বিকাশে সাহায্য করতে হবে
শিক্ষার মাধ্যমে আত্মনিয়ন্ত্রণ, নিয়মনীতি, প্রেষণা, সামাজিক দক্ষতা এবং জয়-পরাজয়ের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা বিকশিত হয়।


TET, CTET ও Primary TET পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

এক নজরে মনে রাখুন

০–১ বছর → আস্থা বনাম অনাস্থা
২–৩ বছর → স্বাধীনতা বনাম লজ্জা ও সন্দেহ
৪–৫ বছর → উদ্যোগ বনাম অপরাধবোধ
৬–১১ বছর → উদ্যম বনাম হীনম্মন্যতা
১২–১৮ বছর → আত্মপরিচয় বনাম আত্মপরিচয় বিভ্রান্তি
১৮–৩৫ বছর → হৃদ্যতা বনাম একাকীত্ব
৩৫–৬৫ বছর → উৎপাদনমুখিতা বনাম অচলাবস্থা
৬৫+ বছর → সততা বনাম হতাশা

পরীক্ষায় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ

  • Erik Erikson → Psychosocial Development

  • মোট ৮টি স্তর

  • ব্যক্তিত্ব বিকাশে সামাজিক পরিবেশের গুরুত্ব

  • ৬–১১ বছর → Industry vs Inferiority

  • ১২–১৮ বছর → Identity vs Identity Confusion

  • ৪–৫ বছর → Initiative vs Guilt

  • ২–৩ বছর → Autonomy vs Shame and Doubt

  • ০–১ বছর → Trust vs Mistrust

  • Marcia → Identity-এর চারটি ধরন

উপসংহার

এরিকসনের মনো-সামাজিক বিকাশ তত্ত্ব মানুষের শৈশব থেকে বার্ধক্য পর্যন্ত ব্যক্তিত্ব ও সামাজিক বিকাশ বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব। প্রতিটি পর্যায়ে ব্যক্তি একটি নির্দিষ্ট মনো-সামাজিক দ্বন্দ্বের মুখোমুখি হয়। সেই দ্বন্দ্বকে সফলভাবে মোকাবিলা করার মাধ্যমে ব্যক্তিত্বের বিকাশ এগিয়ে যায়।

TET, CTET, Primary TET এবং Upper Primary TET পরীক্ষায় এই তত্ত্ব থেকে বয়সভিত্তিক স্তর, দ্বন্দ্ব এবং শিক্ষাগত তাৎপর্য সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে। তাই ৮টি স্তর ও তাদের দ্বন্দ্বগুলি ভালোভাবে মনে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Share:
← Back to all posts