শস্য প্রগাঢ়তা বলতে জমি যত বেশি মাত্রায় চাষের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে সাধারণভাবে তাকেই বোঝায়। প্রকৃত চাষের জমির সঙ্গে মোট চাষের জমির অনুপাতের শতাংশকে শস্য নিবিড়তা বা শস্য প্রগাঢ়তা বলা হয়।
সূত্রটি হল-
শস্য প্রগাঢ়তা = (মোট চাষের জমি ÷ প্রকৃত চাষের জমি) x 100
শস্য প্রগাঢ়তার বৈশিষ্ট্য:
1. শস্য প্রগাঢ়তার মানচিত্র থেকে শস্য উৎপাদনের সঠিক চিত্র পাওয়া যায়।
2. এক-ফসলি, দো-ফসলি, তিন-ফসলি বা বহু-ফসলি জমি নির্ধারণ করা সম্ভব হয়।
3. ভূমি ব্যবহারের সঠিক ও সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।
4. শস্য প্রগাঢ়তার চিত্র থেকে মৃত্তিকার উর্বরা শক্তির মান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
5. শস্য প্রগাঢ়তা হল আনুপাতিক হিসাব যা শতকরা হারে প্রকাশ করা হয়।
6. যেসব স্থানে শস্য প্রগাঢ়তা কম সেখানে উপযুক্ত পরিকল্পনার সাহায্যে শস্যের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হয়।
7. শস্য প্রগাঢ়তার ধারণাকে মাথায় রেখে জলসেচের প্রসার ঘটিয়ে উন্নত কৌশলের সাহায্যে পতিত জমিকে আবাদি জমিতে পরিণত করা যেতে পারে।
8. কৃষির ধরন ও প্রকৃতির বিজ্ঞানভিত্তিক বিশ্লেষণে শস্য প্রগাঢ়তা বিশেষভাবে সাহায্য করে।
