প্রোগ্রাম শিখনের অর্থ (Meaning of Programmed Learning)
প্রোগ্রাম শিখন বা প্রোগ্রাম নির্দেশদান হলো একটি পরিকল্পিত, নিয়মবদ্ধ ও শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক শিখন পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে পাঠ্যবিষয়কে ছোটো ছোটো অর্থপূর্ণ অংশে ভাগ করে শিক্ষার্থীর সামনে উপস্থাপন করা হয়। প্রতিটি অংশ শেখার পর শিক্ষার্থীকে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে হয় বা প্রতিক্রিয়া জানাতে হয়।
উত্তর দেওয়ার পর শিক্ষার্থী জানতে পারে তার উত্তর সঠিক না ভুল। এই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া বা ফিডব্যাক শিক্ষার্থীকে নিজের ভুল সংশোধন করতে এবং ধাপে ধাপে শিখনের নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করে।
এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী নিজের ক্ষমতা ও শেখার গতি অনুযায়ী শিখতে পারে। তাই এটি স্ব-শিখন বা Self-learning-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি।
সহজ উদাহরণ: একজন শিক্ষার্থী কম্পিউটারে একটি অধ্যায় পড়ল। প্রতিটি ছোটো অংশ পড়ার পর সে একটি প্রশ্নের উত্তর দিল এবং সঙ্গে সঙ্গে সঠিক উত্তরটি জেনে গেল। এভাবে ধাপে ধাপে শেখার পদ্ধতিই হলো প্রোগ্রাম শিখন।
প্রোগ্রাম শিখনের সংজ্ঞা (Definition of Programmed Learning)
প্রোগ্রাম শিখন সম্পর্কে কয়েকজন শিক্ষাবিদের মতামত নিচে দেওয়া হলো।
-
Edgar Dale: প্রোগ্রাম শিখন হলো একটি নিয়মবদ্ধ, ধাপে ধাপে সাজানো স্ব-নির্দেশিত শিখন পদ্ধতি, যার লক্ষ্য শিক্ষার্থীর নির্দিষ্ট শিখন নিশ্চিত করা।
-
Smith ও Moore: তাঁদের মতে, প্রোগ্রাম নির্দেশদানে বিষয়বস্তুকে ধারাবাহিক কয়েকটি ধাপে সাজানো হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থী পরিচিত বিষয় থেকে জটিল বিষয় এবং নতুন ধারণা শেখার দিকে এগিয়ে যায়।
-
Susan Markle: তিনি প্রোগ্রাম শিখনকে এমন একটি পরিকল্পিত পদ্ধতি হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন, যা শিক্ষার্থীর শিখনে পরিমাপযোগ্য ও ধারাবাহিক পরিবর্তন আনতে সাহায্য করে।
প্রোগ্রাম শিখনের বৈশিষ্ট্য (Characteristics of Programmed Learning)
প্রোগ্রাম শিখনের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হলো:
-
ব্যক্তিকেন্দ্রিক শিখন: শিক্ষার্থীর ক্ষমতা, চাহিদা ও সামর্থ্য অনুযায়ী শেখার সুযোগ থাকে।
-
ক্ষুদ্র ধাপ বা Frame: বিষয়বস্তুকে ছোটো ছোটো অর্থপূর্ণ অংশে ভাগ করা হয়। প্রতিটি অংশকে Frame বলা হয়।
-
নির্দিষ্ট শিখন লক্ষ্য: শিক্ষার্থীকে কী শেখানো হবে এবং শেখার শেষে কী যোগ্যতা অর্জন করবে, তা আগে থেকে নির্ধারণ করা হয়।
-
সক্রিয় অংশগ্রহণ: শিক্ষার্থীকে প্রতিটি ধাপে প্রশ্নের উত্তর দিতে বা কোনো প্রতিক্রিয়া জানাতে হয়।
-
তাৎক্ষণিক ফিডব্যাক: উত্তর সঠিক না ভুল, তা দ্রুত জানানো হয়।
-
নিজস্ব গতিতে শিখন: শিক্ষার্থী নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী শেখার অগ্রগতি বজায় রাখতে পারে।
-
ধারাবাহিক মূল্যায়ন: প্রতিটি ধাপে শিক্ষার্থীর অগ্রগতি যাচাই করা হয়।
-
সহজ থেকে কঠিন: বিষয়বস্তু সহজ ধারণা থেকে জটিল ধারণার দিকে সাজানো হয়।
-
ভুল সংশোধনের সুযোগ: ভুল উত্তরের কারণ বুঝে সংশোধন করার সুযোগ থাকে।
-
শিখনের অগ্রগতি পরিমাপ: শিক্ষার্থীর প্রতিক্রিয়া ও ফলাফলের মাধ্যমে তার শিখনের অগ্রগতি বোঝা যায়।
প্রোগ্রাম শিখনের মূলনীতি (Principles of Programmed Learning)
প্রোগ্রাম শিখন কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত।
1 ছোটো ধাপের নীতি (Small Steps Principle)
বিষয়বস্তুকে ছোটো ছোটো অংশে ভাগ করে শেখানো হয়। এতে শিক্ষার্থী সহজে বিষয়টি বুঝতে পারে।
2 তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার নীতি (Immediate Feedback)
শিক্ষার্থী উত্তর দেওয়ার পর দ্রুত সঠিক উত্তর বা সংশোধনের নির্দেশ পায়। ফলে নিজের ভুল বুঝতে পারে।
3 সক্রিয় প্রতিক্রিয়ার নীতি (Active Responding)
শিক্ষার্থী শুধু পড়ে না; প্রতিটি ধাপে প্রশ্নের উত্তর দিয়ে সক্রিয়ভাবে শিখনে অংশগ্রহণ করে।
4 নিজস্ব গতিতে শিখনের নীতি (Self-pacing)
প্রত্যেক শিক্ষার্থীর শেখার ক্ষমতা ও গতি আলাদা। এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী নিজের গতি অনুযায়ী এগিয়ে যেতে পারে।
5 ধারাবাহিক মূল্যায়নের নীতি (Continuous Evaluation)
শিক্ষার্থীর প্রতিটি ধাপের প্রতিক্রিয়া মূল্যায়ন করা হয়। এর মাধ্যমে শিখনের অগ্রগতি এবং দুর্বলতা চিহ্নিত করা সম্ভব।
প্রোগ্রাম শিখনের প্রকারভেদ (Types of Programmed Learning)
প্রোগ্রাম শিখন প্রধানত 2 প্রকার।
1. সরলরৈখিক প্রোগ্রামিং (Linear Programming)
প্রধান প্রবক্তা: B. F. Skinner
শিক্ষার্থী একটি নির্দিষ্ট ধারাবাহিক পথে একের পর এক Frame সম্পন্ন করে। প্রতিটি ধাপে সক্রিয় প্রতিক্রিয়া ও তাৎক্ষণিক ফিডব্যাক থাকে।
2. শাখাবিভক্ত প্রোগ্রামিং (Branch Programming)
প্রধান প্রবক্তা: Norman A. Crowder
শিক্ষার্থীর উত্তরের উপর নির্ভর করে পরবর্তী ধাপ নির্ধারিত হয়। ভুল উত্তর দিলে তাকে সংশোধনমূলক Frame-এ পাঠানো হয়।
1 সরলরৈখিক প্রোগ্রামিং (Linear Programming)
B. F. Skinner-এর নাম সরলরৈখিক প্রোগ্রামিংয়ের সঙ্গে বিশেষভাবে যুক্ত। এই পদ্ধতি তাঁর সক্রিয় অনুবর্তন (Operant Conditioning) তত্ত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত।
এই পদ্ধতিতে বিষয়বস্তুকে ছোটো ছোটো Frame-এ ভাগ করে ধারাবাহিকভাবে উপস্থাপন করা হয়। শিক্ষার্থী প্রতিটি Frame-এর উত্তর দেয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে নিজের উত্তরের সঠিকতা জানতে পারে।
প্রধান বৈশিষ্ট্য:
-
শিক্ষার্থীকে একটি নির্দিষ্ট পথ অনুসরণ করতে হয়।
-
বিষয়বস্তু ছোটো ছোটো Frame-এ সাজানো থাকে।
-
প্রতিটি Frame-এ সাধারণত একটি প্রধান ধারণা থাকে।
-
শিক্ষার্থীকে সক্রিয়ভাবে উত্তর দিতে হয়।
-
উত্তর দেওয়ার পর তাৎক্ষণিক ফিডব্যাক পাওয়া যায়।
-
Frame-এর ক্রম সাধারণত অপরিবর্তিত থাকে।
-
শিক্ষার্থী নিজের গতিতে শিখতে পারে।
সুবিধা:
-
শিখনের অগ্রগতি সহজে যাচাই করা যায়।
-
তাৎক্ষণিক ফিডব্যাক শিক্ষার্থীর উৎসাহ বাড়ায়।
-
ছোটো ধাপে শেখার ফলে বিষয়বস্তু বুঝতে সুবিধা হয়।
-
শিক্ষার্থী নিজের ভুল সংশোধন করতে পারে।
অসুবিধা:
-
সব ধরনের বিষয় শেখানোর জন্য সমান কার্যকর নয়।
-
অতিরিক্ত নির্দিষ্ট ধাপে শেখানো সৃজনশীল চিন্তার সুযোগ সীমিত করতে পারে।
-
শিক্ষার্থীর উত্তর কখনও অনুমাননির্ভর হতে পারে।
-
শিখনের গতি ধীর হতে পারে।
2 শাখাবিভক্ত প্রোগ্রামিং (Branch Programming)
Norman A. Crowder শাখাবিভক্ত প্রোগ্রামিংয়ের সঙ্গে বিশেষভাবে যুক্ত। এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীর উত্তর অনুযায়ী শিখনের পথ পরিবর্তিত হয়।
সাধারণত একটি Frame-এ একাধিক তথ্য ও বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্ন (MCQ) থাকে। সঠিক উত্তর দিলে শিক্ষার্থী পরবর্তী Frame-এ যায়। ভুল উত্তর দিলে তাকে সংশোধনমূলক Frame-এ পাঠানো হয়। সেখানে ভুলের কারণ ব্যাখ্যা করা হয় এবং বিষয়টি বুঝে আবার মূল ধারায় ফিরে আসার সুযোগ থাকে।
প্রধান বৈশিষ্ট্য:
-
একটি Frame-এ একাধিক সম্পর্কযুক্ত ধারণা থাকতে পারে।
-
Frame তুলনামূলকভাবে বড়ো হয়।
-
সাধারণত MCQ ধরনের প্রশ্ন ব্যবহার করা হয়।
-
শিক্ষার্থীর উত্তর অনুযায়ী শিখনের পথ নির্ধারিত হয়।
-
ভুল উত্তরের জন্য সংশোধনমূলক Frame থাকে।
-
সব শিক্ষার্থীকে একই পথে এগোতে হয় না।
-
শিক্ষার্থী নিজের ভুলের কারণ বুঝতে পারে।
সুবিধা:
-
একাধিক বিকল্পের মধ্যে সঠিক উত্তর বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকে।
-
ভুল উত্তরের জন্য ব্যাখ্যা দেওয়া যায়।
-
শিক্ষার্থীর সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে।
-
ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুযায়ী শিখনের পথ পরিবর্তিত হতে পারে।
-
সরলরৈখিক পদ্ধতির তুলনায় একই বিষয়ের পুনরাবৃত্তি কম হতে পারে।
অসুবিধা:
-
অনুমান করে সঠিক উত্তর বেছে নেওয়া সম্ভব।
-
ভালো মানের MCQ তৈরি করা কঠিন।
-
প্রোগ্রাম তৈরি ও সংশোধন করতে সময় ও অর্থ লাগে।
-
সব ধরনের বিষয়বস্তু এই পদ্ধতিতে উপস্থাপন করা সহজ নয়।
সরলরৈখিক ও শাখাবিভক্ত প্রোগ্রামিংয়ের পার্থক্য
|
পার্থক্যের বিষয় |
সরলরৈখিক প্রোগ্রামিং |
শাখাবিভক্ত প্রোগ্রামিং |
|---|---|---|
|
প্রবক্তা |
B. F. Skinner |
Norman A. Crowder |
|
শিখনের পথ |
নির্দিষ্ট ও ধারাবাহিক |
উত্তরের উপর নির্ভরশীল |
|
Frame-এর আকার |
ছোটো |
তুলনামূলকভাবে বড়ো |
|
প্রশ্নের ধরন |
সাধারণত উত্তর লিখতে হয় |
সাধারণত MCQ |
|
ভুল উত্তরের ফল |
সঠিক উত্তর জানানো হয় |
সংশোধনমূলক Frame-এ পাঠানো হয় |
|
শিক্ষার্থীর পথ |
সাধারণত একই |
আলাদা হতে পারে |
|
প্রধান বৈশিষ্ট্য |
ছোটো ধাপে শিখন |
শাখা অনুযায়ী শিখন |
পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন: Skinner — Linear Programming; Crowder — Branch Programming।
প্রোগ্রাম শিখনের সুবিধা (Advantages of Programmed Learning)
প্রোগ্রাম শিখনের গুরুত্বপূর্ণ সুবিধাগুলি হলো:
-
ব্যক্তিকেন্দ্রিক শিক্ষা: শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত চাহিদা অনুযায়ী শেখার সুযোগ থাকে।
-
স্ব-শিখন: শিক্ষক ছাড়াও শিক্ষার্থী পরিকল্পিত উপকরণের সাহায্যে শিখতে পারে।
-
সক্রিয় অংশগ্রহণ: শিক্ষার্থী প্রতিটি ধাপে উত্তর দেওয়ার মাধ্যমে সক্রিয় থাকে।
-
প্রেষণা বৃদ্ধি: তাৎক্ষণিক ফিডব্যাক শিক্ষার্থীকে উৎসাহিত করে।
-
সহজ থেকে জটিল: ছোটো ধাপে শেখার ফলে কঠিন বিষয় বুঝতে সুবিধা হয়।
-
ধারাবাহিক মূল্যায়ন: শিক্ষার্থীর অগ্রগতি নিয়মিত যাচাই করা যায়।
-
সময় ও গতির নমনীয়তা: শিক্ষার্থী নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী শিখতে পারে।
-
শিক্ষকের সহায়তা: শিক্ষক একই বিষয় বারবার ব্যাখ্যা করার পরিবর্তে শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত সমস্যার সমাধানে বেশি সময় দিতে পারেন।
প্রোগ্রাম শিখনের অসুবিধা (Disadvantages of Programmed Learning)
-
ব্যয়বহুল: মানসম্মত প্রোগ্রাম তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণে খরচ হতে পারে।
-
দক্ষ প্রোগ্রামারের প্রয়োজন: বিষয়বস্তুকে উপযুক্ত Frame-এ সাজানো একটি দক্ষতাসাপেক্ষ কাজ।
-
সীমিত প্রয়োগ: সব ধরনের বিষয় ও শিখন পরিস্থিতিতে এটি সমান কার্যকর নয়।
-
পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার অভাব: শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা, সহযোগিতা ও দলগত শিখনের সুযোগ কম হতে পারে।
-
সৃজনশীলতার সীমাবদ্ধতা: অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রিত কাঠামো স্বাধীন চিন্তার সুযোগ কমাতে পারে।
-
শিক্ষকের বিকল্প নয়: আবেগগত, সামাজিক ও ব্যক্তিগত সমস্যার সমাধানে শিক্ষকের ভূমিকা অপরিহার্য।
-
অনুমানের সমস্যা: বিশেষত MCQ-ভিত্তিক পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী বিষয়টি না বুঝেও সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে পারে।
TET ও CTET পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
-
প্রোগ্রাম শিখন হলো শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক ও স্ব-শিখনভিত্তিক পদ্ধতি।
-
বিষয়বস্তুর ক্ষুদ্র অর্থপূর্ণ অংশকে Frame বলা হয়।
-
তাৎক্ষণিক ফিডব্যাক প্রোগ্রাম শিখনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।
-
B. F. Skinner-এর সঙ্গে সরলরৈখিক প্রোগ্রামিং যুক্ত।
-
Norman A. Crowder-এর সঙ্গে শাখাবিভক্ত প্রোগ্রামিং যুক্ত।
-
সরলরৈখিক প্রোগ্রামিংয়ে শিক্ষার্থী সাধারণত একই ধারায় এগিয়ে যায়।
-
শাখাবিভক্ত প্রোগ্রামিংয়ে শিক্ষার্থীর প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী শিখনের পথ পরিবর্তিত হয়।
-
শাখাবিভক্ত প্রোগ্রামিংয়ে সংশোধনমূলক Frame ব্যবহৃত হয়।
-
নিজের গতিতে শিখনকে Self-pacing বলা হয়।
-
প্রোগ্রাম শিখনে সক্রিয় প্রতিক্রিয়া ও ধারাবাহিক মূল্যায়নের গুরুত্ব রয়েছে।
উপসংহার
প্রোগ্রাম শিখন এমন একটি পরিকল্পিত শিক্ষণ পদ্ধতি, যেখানে ছোটো ছোটো ধাপ, সক্রিয় প্রতিক্রিয়া, তাৎক্ষণিক ফিডব্যাক এবং ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর শিখন সহজ করা হয়। এর প্রধান 2 প্রকার হলো সরলরৈখিক ও শাখাবিভক্ত প্রোগ্রামিং।
